শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এমপি পাহাড়ের শিক্ষায় ই-লার্নিং, আর কোনো বৈষম্য থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার হেলাল কুড়িগ্রাম সদরে নিজ শোয়ার ঘরে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বান্দরবানে কিশোর গ্যাং এর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ৮০ জন আটক পুলিশের অভিযান চলমান

বান্দরবান প্রতিনিধি।।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ সময় দেখুন
৬৭

খবরটা শুনে প্রথমে স্বস্তি লাগলো। অবশেষে পুলিশ মাঠে নেমেছে। কিন্তু পরক্ষণেই মনটা খারাপ হয়ে গেল। এরা তো আমাদেরই সন্তান!

রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জেলা শহরের মেম্বার পাড়া, রাজার মাঠ, আর্মিপাড়া, রেস্ট হাউস, উজানী পাড়া, ৩ নম্বর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সদরে ৪৫ জন, লামায় ১৩ জন, আলীকদমে ১৯ জন ও নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। নেতৃত্বে ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার মহোদয় নিজেই। সাথে ছিলেন এএসপি তাসলিম হুসাইন, ওসি মাসুদ পারভেজ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সুপার মহোদয় বলেছেন, যাচাই চলছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, নিরপরাধদের অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে। এই কথাটা মানবিক।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই কিশোররা কেন গ্যাং হলো?
চুরি, মাদক, আড্ডা – এই পথে কেন গেল? এর দায় কার? শুধু কি পুলিশের?

এর দায় আমাদের – পরিবারের, সমাজের। আমরা সন্তানকে সময় দিচ্ছি না। মোবাইল হাতে দিয়ে দায় সেরে ফেলছি। সন্ধ্যার পর সে কোথায় যায়, কার সাথে মেশে, খবর রাখছি না।

আমি পুলিশের এই অভিযানকে স্যালুট জানাই। বান্দরবানের আইন-শৃঙ্খলা সুদৃঢ় রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকা উচিত – এটা অভিভাবকরাও চায়।

কিন্তু আটকের পরের কাজটা আরও গুরুত্বপূর্ণ। এদেরকে শুধু ছেড়ে না দিয়ে কাউন্সেলিং করা হোক। এদের বাবা-মাকে ডেকে সচেতন করা হোক। স্কুল-কলেজে সচেতনতা বাড়ানো হোক।

৮০ জন আটক মানে ৮০ টা পরিবারের ঘুম হারাম। আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের সন্তানদের বাঁচাই। পুলিশ একা পারবে না, আমাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
৮০ জন কিশোর আটক! এরা অপরাধী, নাকি আমাদের ব্যর্থতা?

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD