ঢাকা, ১ অক্টোবর ২০২৬:
পাহাড় ও সমতলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর কোনো বৈষম্য থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের সুদূরপ্রসারী ভাবনার অংশ হিসেবে পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং, আধুনিক শিক্ষা এবং দূরশিক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে সমতলের ছাত্রছাত্রীদের সমতুল্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
(১ অক্টোবর) ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সংক্রান্ত সেপ্টেম্বর মাসের পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
“শিক্ষা ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে একজন শিক্ষার্থী ঢাকার শহর থেকে হোক কিংবা বান্দরবান, রাঙামাটি বা খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা থেকে হোক – যোগ্যতা থাকলে তার সামনে সমান সুযোগ থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের নারীরা যুগের পর যুগ ধরে দূর থেকে পানি বয়ে আনেন। সুপেয় পানি সরবরাহের মাধ্যমে তাদের এই কষ্ট লাঘব করতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল, পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন এবং আধুনিক পর্যটন শিল্প গড়ে তুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।
প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাহাড়ের ছাত্রছাত্রীদের ই-লার্নিং পদ্ধতিতে গণিত-বিজ্ঞান-ইংরেজিতে অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছেলেমেয়েরা একদিন বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে এবং দেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।”
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা ও অতুল সরকার, বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যা চিং, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রা সা হোয়াই মারমা সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


Leave a Reply