শহরের যান্ত্রিকতা ও কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির একেবারে কাছাকাছি প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে “জেনুইন সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ” আয়োজন করতে যাচ্ছে তাদের এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ সুন্দরবন ক্রুজশীপ ট্যুর। প্রায় ৫০০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে ৬টি জাহাজে এই ট্যুর পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬টি জাহাজে মাত্র ৫৭টি আসন খালি রয়েছে। তাই “আগে আসলে আগে পাবেন” ভিত্তিতে দ্রুত আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
ট্যুর সময়সূচি
যাত্রা শুরু: ১০ নভেম্বর, মঙ্গলবার, রাত ১০:০০ টা (খুলনা BIWTA ঘাট থেকে)।
যাত্রা শেষ: ১৩ নভেম্বর, শুক্রবার, বিকেল ৫:০০ টা (খুলনা ঘাট)।
ভ্রমণ স্থানসমূহ
১. হাড়বাড়িয়া / আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র
২. কোকিলমনি
৩. তিনকোনা আইল্যান্ড ও পশুপাখির অভয়ারণ্য
৪. হিরন পয়েন্ট (শুটিং স্পট ও চ্যানেল ক্রুজ)
৫. বঙ্গোপসাগরের দুবলার চর
৬. করমজল ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র
৭. সুন্দরবনের গহীনে ছোট খালে ক্যানেল ক্রুজিং
সংক্ষিপ্ত ট্যুর প্ল্যান
১০ নভেম্বর (১ম রাত): রাত ১০টার মধ্যে খুলনার BIWTA ঘাটে রিপোর্টিং ও অফিশিয়াল রিসিপশন শেষে ট্রলারে করে জাহাজে ওঠা। রাতে চাঁদনি আলোয় নদী পার হতে হতে সুন্দরবনের কাছাকাছি পৌঁছানো।
১১ নভেম্বর (১ম দিন): ভোরে হাড়বাড়িয়া পৌঁছানো এবং ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। এরপর ক্যানেল পার হয়ে কোকিলমনি ও তিনকোনা আইল্যান্ডে বিকেল কাটানো এবং জাহাজের কেবিনে রাত্রিযাপন।
১২ নভেম্বর (২য় দিন): ট্রলারে করে জঙ্গলে ট্রেকিং (হরিণ, বানর, বনমোরগ ও পাখি দেখা)। হিরণ পয়েন্ট ও শুটিং স্পট পরিদর্শন এবং বিকেলে দুবলার চরে ঘোরাঘুরি ও গোসল। রাতে স্পেশাল বারবিকিউ ডিনার।
১৩ নভেম্বর (৩য় দিন): সকালে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন (বানর, হরিণ ও কুমিরের প্রজননকেন্দ্র)। দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা এবং বিকেলের মধ্যে ঘাটে ফেরা। মুখরোচক খাবার মেন্যু
ট্যুরে থাকছে প্রতিদিন সুস্বাদু ও ফ্রেশ খাবারের চমৎকার আয়োজন:
১ম দিন: সকালের নাস্তায় পরোটা, ডিম ভাজি, মুরগির ডাল লটপটি ও সুজির হালুয়া; দুপুরে ভাত, ভেটকি মাছ ও মুরগির কারী; বিকেলের নাস্তায় নুডলস ও চা/কফি; রাতে চাইনিজ মেন্যু (এগ ফ্রাইড রাইস, চিকেন ও ফিশ ফ্রাই)।
২য় দিন: সকালে খিচুড়ি ও ডিম মালাইকারী; দুপুরে ভাত, লাউ চিংড়ি, গলদা চিংড়ি ও হাঁসের মাংস; বিকেলে ভেজিটেবল পাকুড়া; রাতে চিকেন ও ফিশ বারবিকিউ, পরোটা এবং রসমলাই।
৩য় দিন: সকালে ভাত, চিংড়ি ভর্তা ও ডিম ভাজি; দুপুরে পোলাও, চিকেন রোস্ট, খাসি/গরুর মাংস ও দই।
পলিসি ও খরচ সংক্রান্ত তথ্য
কাপল পলিসি: আলাদা প্রাইভেট কাপল বা টুইন বেডরুমে থাকতে রুমপ্রতি অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা (অবশ্যই পূর্বে এডমিনের সাথে কনফার্ম করতে হবে)।
শিশু পলিসি:
০-২ বছরের বাচ্চাদের জন্য কোনো চার্জ নেই (বাবা-মায়ের সাথে থাকবে ও তাদের প্লেটে খাবে)।
২-১২ বছরের শিশুদের জন্য ৩,০০০ টাকা (ট্রাভেল ট্যাক্স, বনবিভাগের পারমিশন ও ১৪ বেলার খাবার অন্তর্ভুক্ত)। বাবা-মায়ের সাথে বেড শেয়ার করতে হবে।
ট্যুরে যা সাথে রাখবেন
শীতের কাপড়, ট্রাউজার ও আরামদায়ক স্যান্ডেল
টেলিটক সিম কার্ড (সুন্দরবনে নেটওয়ার্কের সুবিধার জন্য)
প্রয়োজনীয় ওষুধ, টুথব্রাশ, পেস্ট, সাবান ও শ্যাম্পু
ক্যাপ, সানগ্লাস ও সানস্ক্রিন লোশন
ক্যামেরা, মেমরি কার্ড ও পাওয়ার ব্যাংক
সকল পার্টিসিপেন্টের ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি
সীমিত আসন: ৫০০ আসনের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৫৭টি আসন খালি রয়েছে। আপনার টিমের সবাইকে জানিয়ে দ্রুত বুকিং সম্পন্ন করুন!


Leave a Reply