সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই গণহত্যা: ফেরদৌস-রিয়াজ-মাহি-শাওনসহ ২৮ তারকার নামে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ এমপি ওয়াদুদ ভুঁইয়ার উদ্যোগে রামগড়ে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান হেলাল টুঙ্গিপাড়ায় পৌর পরিচ্ছন্ন কর্মীদের মাঝে ইউনিফর্ম বিতরণ টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন,এলাকায় চাঞ্চল্য ইসলামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন: চোখের সামনেই ভিটেমাটি হারিয়ে দিশেহারা মানুষ রামগড়ে দুই বছর ধরে কর্মকর্তা ছাড়াই চলছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কুমিল্লা দাউদকান্দিতে এক রাতের অভিযানে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার,গ্রেপ্তার-৮ রংপুরে শেষ সিনেমা হলটিও বন্ধ হলো

জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়ক সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান হেলাল

মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)প্রতিনিধি।।
  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন
১৩

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালীগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কের খানাখন্দে ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুললেন ৮নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।

​শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুলবাড়িয়া টু মাগুরখালী সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া বিপজ্জনক গর্ত ও ভাঙা জায়গায় নিজ অর্থায়ন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইট ও খোঁয়া বিছিয়ে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন চেয়ারম্যান নিজেই। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এই পথটিতে গাড়ি এবং পথচারী চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। বর্ষার কারণে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

​এ বিষয়ে আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন-এর সাথে কথা বললে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন:

​”কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালী পর্যন্ত এই রাস্তাটি আমাদের ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান মারাত্মকভাবে ভেঙে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে বর্ষাকালে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দা,ছাত্র-ছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল।”

​তিনি আরও বলেন,”জনগণের এই চরম কষ্ট দেখে আমি আর চুপ করে থাকতে পারিনি। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় বসে না থেকে,তাৎক্ষণিকভাবে জনদুর্ভোগ লাঘবে আমার নিজ উদ্যোগে ও অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে ইট এনে সড়কটির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় যদি মানুষের চলাচলে সামান্য স্বস্তি আসে,সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে এই সড়কটি যাতে স্থায়ীভাবে পাকা ও প্রশস্ত করা হয়,সে বিষয়েও আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।”

​স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা চেয়ারম্যানের এমন সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একাধিক পথচারী জানান,রাস্তাটির খানাখন্দের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে যেভাবে তদারকি করে সংস্কার কাজ করাচ্ছেন,তাতে এলাকার মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ ও নিরাপদ হলো।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD