আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে এবং নিজের সময়োপযোগী প্রতিশ্রুতি জানান দিতে ব্যতিক্রমী এক সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নেমেছেন সাবেক সেনা সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আমির আলী। প্রায় ১ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তিনি তার আনুষ্ঠানিক গণসংযোগ ও প্রচারণা শুরু করেছেন। পরিবেশবান্ধব এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
আমির আলী তারাগঞ্জের এক ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম নজরুল ইসলাম ছিলেন এলাকার একজন প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু ঐতিহ্যবাহী তারাগঞ্জ হাটের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রধান সংগঠকই ছিলেন না, বরং তারাগঞ্জ থানা গঠনেও তাঁর ছিল অগ্রণী ভূমিকা। পারিবারিক এই গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তরসূরি হিসেবে আমির আলীর বড় ভাই শাহিনুর ইসলাম মার্শালও কুর্শা ইউনিয়নের একাধিকবারের সফল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততার সাথে জনগণের সেবা করেছেন। পারিবারিক এই বিপুল জনপ্রিয়তা ও সেবামূলক কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই এবার কুর্শার হাল ধরতে চান আমির আলী।
ব্যক্তিগত জীবনে ক্রীড়াপ্রেমী আমির আলী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় তরুণ ও যুবসমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এলাকার যুবকদের মাদক ও সর্বনাশা নেশার পথ থেকে ফিরিয়ে খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন সময় খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ তৈরিতে লড়াই করেছেন। এছাড়াও এলাকার অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র তারাগঞ্জ হাটের উন্নয়ন এবং হাটকে সম্পূর্ণরূপে চাঁদাবাজিমুক্ত করতে তিনি বরাবরই সোচ্চার ও আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন। ফলে এলাকার তরুণ ও সচেতন ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও আলাদা গ্রহণযোগ্যতা।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আমির আলী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন,পরিবেশ রক্ষা, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী অঙ্গীকার করছেন,যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,পারিবারিক ঐতিহ্য,সামাজিক পরিচ্ছন্ন ইমেজ এবং তরুণ সমাজের প্রতি অঙ্গীকারের কারণে কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সাবেক এই সেনা সদস্য এবার এক বড় চমক সৃষ্টি করতে পারেন।


Leave a Reply