July 4, 2026, 8:32 pm
শিরোনাম :
নির্বাচন আসে যায়,বাঁশের সাঁকো আর বদলায় না রামগড়ে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ, পিআইও’র অস্বীকার প্রশাসনে যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন: আলোচনায় রথীন্দ্রনাথ দত্ত আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক আটক:ফরম ফিলাপের ৩,৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কালিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বীজ-রাসায়নিক সার বিতরণ সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ বিজয়নগরে পুলিশের পৃথক অভিযান,মাদকসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার হরিণ শিকারের অপরাধে ৪ জন আটক,বন বিভাগের জালে কুখ্যাত শিকারী চক্র টুঙ্গিপাড়ার ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সৈয়দপুরে সাংবাদিক একাদশ ও পুলিশ একাদশ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

নির্বাচন আসে যায়,বাঁশের সাঁকো আর বদলায় না

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Saturday, July 4, 2026
  • 51 সময় দেখুন

নির্বাচন আসে যায়,বাঁশের সাঁকো আর বদলায় না

মশিয়ার রহমান
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

নির্বাচনের আগে বারবার পাকা সেতুর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে আজও নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা নীলফামারী সদরের লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের বসুনিয়ারডাঙ্গা এলাকার ১০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের।

‎দেওনাই নদীর ওপর নির্মিত অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ্মীচাপ, কাচারী, শিশাতলী, জংলীপাড়া, দুবাছুরি, বল্লমপাঠ, কচুয়া, দাঁড়িহারা, ডিয়াবাড়ী ও শিমুলবাড়ী গ্রামের মানুষ নীলফামারী, ডোমার ও জলঢাকা উপজেলায় যাতায়াত করেন। শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের জন্য এটিই একমাত্র সহজ যোগাযোগের পথ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটির বিভিন্ন অংশ নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি ও স্রোত বাড়লে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। সাইকেল ও মোটরসাইকেল ঠেলে পার হতে হয়, আর সামান্য অসাবধানতাতেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা জীবন রায় বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই সাঁকোটি ভেঙে পানিতে পড়ে যায়। বহুবার সেতুর দাবি জানানো হলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।’

‎ধীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘প্রতিবার ভোটের আগে সেতুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু ভোট শেষে আর কেউ খোঁজ নেয় না।’

‎লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, “প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করেন। এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণ হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। এ বিষয়ে এলজিইডির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে।”

‎নীলফামারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ কবির হোসেন জানান, ওই স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

‎নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘আমার আসনের প্রয়োজনীয় সব সেতুর তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।’

‎তবে এলাকাবাসীর একটাই দাবি আর আশ্বাস নয়, দ্রুত দেওনাই নদীর ওপর একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটানো হোক

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD