শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানে দুই বিতর্কিত কর্মকর্তার পুনর্বহালের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুয়ারা হত্যা মামলায় যুবদল নেতাকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রামুতে পৃথক অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু

রাজশাহীর মিষ্টি পানের চাহিদা সবচেয়ে বেশী।

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৪ সময় দেখুন
২৮

রাজশাহীর মিষ্টি পানের চাহিদা সবচেয়ে বেশী

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে উৎপাদিত মিষ্টি পানের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘রাজশাহীর মিষ্টি পান’ শিগগিরই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাবে বলে আশা করছি। দুই মাস আগে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হলেই আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারব।

এদিকে পানকে বলা হয় ‘ক্যাশ ক্রপ’ বা অর্থকরী ফসল বলা হয়। আর কৃষকরা পানের বরজকে বলে থাকেন ‘ক্যাশ ব্যাংক’। যখন প্রয়োজন হয় তারা বরজ থেকে পানপাতা তুলে সরাসরি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, এক বিঘার একটি পানের বরজ থেকে একজন কৃষক মাসে অন্ততঃ ৩৫ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। প্রতি বিঘা জমিতে পানের বরজ তৈরিতে কৃষকের এককালীন খরচ হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। যার স্থায়িত্বকাল হয়ে থাকে ৩০ থেকে ৪০ বছর।

রাজশাহী জেলায় পান চাষে জড়িত কৃষকের সংখ্যা ৩৯ হাজার ১০১ জন। গত ৫ বছরে রাজশাহী জেলায় পানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ। ২০১৮ সালে পানের আবাদ হতো আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে পান উৎপাদন হয়েছে ৭৭ হাজার ২১৯ টন। ৯ উপজেলার মধ্যে বাগমারা, পবা, মোহনপুর ও দুর্গাপুরে পানের আবাদ বেশি হয়। পান বরজের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৬টি। এসব বরজে উৎপাদিত পান জেলার ২০টি হাটে সরাসরি বিক্রি করে থাকেন কৃষকরা।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, রেশম ও আমের পাশাপাশি পানও যে অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সে কারণে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য দুই মাস আগে আমরা আবেদন করি। জিআই সনদ পেলে আমাদের পান দেশ-বিদেশে আরও সমাদৃত হবে। পান উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটবে, যা অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। এতে পান চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD