শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এমপি পাহাড়ের শিক্ষায় ই-লার্নিং, আর কোনো বৈষম্য থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার হেলাল কুড়িগ্রাম সদরে নিজ শোয়ার ঘরে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সরকার তেলের দাম বাড়াতেই রুমায় পরিবহনে সিন্ডিকেট: জ্বালানি খরচ ৩৩৭৫ টাকা, ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার!

বান্দরবান প্রতিনিধি।।
  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন
৩৫

বান্দরবানের রুমায় পর্যটকদের গলা কাটা হচ্ছে জিপ ভাড়ার নামে। সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সাথে সাথেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে পরিবহন সিন্ডিকেট।

রুমা বাজার থেকে বগালেক, কেওক্রাডং, পাসিং পাড়া হয়ে সুংসাং পাড়া পর্যন্ত যেতে পর্যটকদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। পাহাড়ি দুর্গম সড়ক, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেশি – এমন যুক্তি জিপ মালিক সমিতির। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্যটকরা বাড়তি ভাড়া ও গাইডের পেছনে বাড়তি ব্যয় নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

*হিসাবে জ্বালানি সাড়ে তিন হাজার, ভাড়া দশ হাজার

স্থানীয় চালকদের তথ্যমতে, রুমা বাজার থেকে বগালেক ১৮ কি.মি., কেওক্রাডং ৩০-৩২ কি.মি. এবং সুংসাং পাড়া ৩৯-৪০ কি.মি.। রুমা থেকে সুংসাং পাড়া যাওয়া-আসায় তেল লাগে ২৭ লিটার। রুমায় ডিজেল ১২৫ টাকা লিটার হিসেবে খরচ দাঁড়ায় ৩,৩৭৫ টাকা। অথচ এই রুটে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১০,০০০ টাকা।

*ভাড়া কমানোর দাবি সমিতির*

রুমা জিপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কার্তিক কর্মকার বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলাপ করেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ৫০০ টাকা করে কমানো হয়েছে। এখন কেওক্রাডং ৬,৫০০ টাকা, সুংসাং পাড়া ১০,০০০ টাকা এবং বগালেক ৪,০০০ টাকা। রাতে থাকলে আরও ১,০০০ টাকা বেশি। কারণ পাহাড়ি রাস্তায় লো গিয়ারে গাড়ি চালাতে হয়, খরচ বেশি।”

পর্যটকদের অভিযোগ: মালিকই চালক, তাই সিন্ডিকেট*

পর্যটকদের অভিযোগ, এখানকার বেশিরভাগ চালকই গাড়ির মালিক। ফলে মালিক হিসেবেও লাভ, চালক হিসেবেও আয় – তাই ভাড়া বেশি। রুমা বাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদকও মনে করেন ভাড়া আরও কমানো উচিত। এছাড়া গাইডের পারিশ্রমিক নিয়েও ভোগান্তি চরম। সকাল ৮টার পর হলেই দুই দিনের টাকা, আবার ২ জন পর্যটকের জন্য গাইডের আলাদা বাইক ভাড়াও দিতে হয়।

“প্রশাসনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়নি” – ইউএনও

তবে সমিতির দাবি নাকচ করে দিয়েছেন রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথি। তিনি বলেন, “জিপ মালিক সমিতির ভাড়ার তালিকা প্রশাসনের সাথে সিদ্ধান্ত নিয়ে করা হয়নি। তারা আগের তালিকাই নিজেদের লোক দিয়ে প্রকাশ করেছে। পর্যটকদের সমস্যা হলে প্রশাসন বিষয়টি তদারকি করবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পর্যটন ন্ধব ভাড়া নির্ধারণ করা হোক, নইলে বান্দরবানের পর্যটন হুমকির মুখে পড়বে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD