শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এমপি পাহাড়ের শিক্ষায় ই-লার্নিং, আর কোনো বৈষম্য থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার হেলাল কুড়িগ্রাম সদরে নিজ শোয়ার ঘরে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ব্যাংক কর্মকর্তা সোহাগের বিরুদ্ধে এফডিআরের কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ: ব্যাংকিং নিরাপত্তায় চরম ধস

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৯ সময় দেখুন
৮৯

দেশের আর্থিক খাতে সুশাসন ও নিরাপত্তার চিত্র দিন দিন কতটা নাজুক হয়ে পড়ছে, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার অগ্রণী ব্যাংক শাখায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি তার এক নজিরবিহীন প্রমাণ। ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা সোহাগ গ্রাহকদের এফডিআর (Fixed Deposit Receipt)-এর জমানো ১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এই ঘটনায় সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
​ঘটনার নেপথ্য চিত্র:
​ অভিযুক্ত কর্মকর্তা: সোহাগ (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, শ্রীনগর শাখা, মুন্সীগঞ্জ)।
​ আত্মসাতের ধরন: গ্রাহকদের দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় ও এফডিআরের কোটি টাকার অধিক অর্থ ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে কিংবা ব্যাংকের ভেতরের অসাধু উপায়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
​ বর্তমান পরিস্থিতি: বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত কর্মকর্তা সোহাগ কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং গা ঢাকা দিয়েছেন।
​ব্যাংকে আমানতের নিরাপত্তা কোথায়?
​একটি সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভেতরে যদি এ ধরনের গুরুতর জালিয়াতির ঘটনা ঘটে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপদ থাকবে—এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ব্যাংকে মানুষ কষ্টের উপার্জিত টাকা জমা রাখে ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য, বিশেষ করে এফডিআর বা স্থায়ী আমানতের ওপর ভরসা করে প্রবীণ ও সাধারণ মানুষ তাদের শেষ সম্বলটুকু তুলে দেন। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তারাই যদি সেই রক্ষক হয়ে ভক্ষক হন, তবে পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
​ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি:
​দ্রুত আইনের আওতায় আনা: অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সোহাগকে দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের মুখোমুখি করা এবং তার ব্যক্তিগত ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
​উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন: কীভাবে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ তছরুপ হলো এবং এর পেছনে ব্যাংকের অন্য কোনো চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
​গ্রাহকের আমানতের শতভাগ গ্যারান্টি: ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ দ্রুত ফেরতের ব্যবস্থা করা না হলে ব্যাংক খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।
​দেশের ব্যাংক খাতের এই বেহাল দশা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতে কর্তৃপক্ষের এখনই কঠোর নজরদারি বাড়ানো উচিত। অন্যথায় সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ এভাবে লোপাট হতে থাকলে পুরো আর্থিক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে।
​এ ধরনের ব্যাংক জালিয়াতি রোধে এবং গ্রাহকদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ অডিট ও নজরদারি ব্যবস্থায় কী ধরনের সংস্কার আনা জরুরি বলে আপনার মনে হয়?

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD