শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানে দুই বিতর্কিত কর্মকর্তার পুনর্বহালের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুয়ারা হত্যা মামলায় যুবদল নেতাকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রামুতে পৃথক অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু

কাহারোলে চাকরি ছেড়ে মহিষের খামার

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • Update Time : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ সময় দেখুন
৪৭

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের এই খামারের উদ্যোক্তা মীর মহসীন আলী চৌধুরী (৪৮)। একসময় তাঁর পরিচয় ছিল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হিসেবে।

২০০৭ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন মহসীন। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করত। সেই সুবাদে তিনি ঘুরেছেন নানা জেলা। কাছ থেকে দেখেছেন সফল খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাজ, শিখেছেন আধুনিক প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে ফিরিয়ে আনে নিজের গ্রামে।

২০১৬ সালে মাত্র ১৩টি দেশি গরু নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন। এখন তাঁর খামারে রয়েছে দেশি-বিদেশি জাতের ৪৫টি গরু ও ভারতীয় সংকর জাতের ৫২টি মহিষ।
১০৭ শতক জমির ওপর গড়ে উঠেছে বিশাল এই খামার। প্রবেশপথে লেখা ‘পৃথ্বী এগ্রো’। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, ভেতরে কত বড় আয়োজন। ২৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৯০ ফুট প্রস্থের লাগোয়া তিনটি শেড। সেখানে চলছে গরু ও মহিষ মোটাতাজাকরণের কার্যক্রম।

শ্রমিকেরা খড়, ভুসি, খইল, সাইলেজ ও নেপিয়ার ঘাস মিশিয়ে নির্দিষ্ট চাড়িতে খাবার তুলে দিচ্ছেন। মহসীন নিজ হাতে পশুগুলোকে খাবার তুলে দিচ্ছেন, কখনো স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন এদের গলায় ও মাথায়।

মহসীন জানান, ‘পড়ালেখা শেষ করে কয়েক বছর চাকরি করেছি, কিন্তু মন বসছিল না। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে গরু-ছাগল পালন করতে দেখেছি। তাই সাহস করে অল্প পুঁজি নিয়েই খামার শুরু করি। তখন জমি ছিল ৫০ শতক। এই কয়েক বছরে খামারের আয়ে ধীরে ধীরে আরও ৫৭ শতক জমি কিনেছি। নির্মাণ করেছি দুটি নতুন শেড ও একটি গুদামঘর। বর্তমানে খামারে মাসিক বেতন ও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ জন কাজ করছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD