সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে বর্ণ মেডিকো ফার্মেসী যেন মিনি হাসপাতাল ক্যাম্পে স্ত্রী সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা ঢাকায় প্রধান আসামী র‍্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার দেবীগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন মানিকছড়িতে মাদকবিরোধী র‌্যালী ও সমাবেশ রংপুরে এক শিক্ষার্থীর ম’র’দে’হ উদ্ধার: মিলল ২ পৃষ্ঠার লেখা ১টি নোট ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌনে ৩ লাখ টাকার মালামাল ও ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মংলায় নৌপরিবহন মন্ত্রীর সংবর্ধনায় বিএনপি: রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির মনোনয়ন চান আবুল হাসেম বান্দরবানে জমজমাট ট্রিবিউট কনসার্ট এলআরবির ড্রামারসহ ১০ ব্যান্ডের গানে স্মরণ করা হবে আইয়ুব বাচ্চুকে বান্দরবানে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপন

কাহারোলে চাকরি ছেড়ে মহিষের খামার

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • Update Time : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন
১৬

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের এই খামারের উদ্যোক্তা মীর মহসীন আলী চৌধুরী (৪৮)। একসময় তাঁর পরিচয় ছিল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হিসেবে।

২০০৭ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন মহসীন। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করত। সেই সুবাদে তিনি ঘুরেছেন নানা জেলা। কাছ থেকে দেখেছেন সফল খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাজ, শিখেছেন আধুনিক প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে ফিরিয়ে আনে নিজের গ্রামে।

২০১৬ সালে মাত্র ১৩টি দেশি গরু নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন। এখন তাঁর খামারে রয়েছে দেশি-বিদেশি জাতের ৪৫টি গরু ও ভারতীয় সংকর জাতের ৫২টি মহিষ।
১০৭ শতক জমির ওপর গড়ে উঠেছে বিশাল এই খামার। প্রবেশপথে লেখা ‘পৃথ্বী এগ্রো’। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, ভেতরে কত বড় আয়োজন। ২৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৯০ ফুট প্রস্থের লাগোয়া তিনটি শেড। সেখানে চলছে গরু ও মহিষ মোটাতাজাকরণের কার্যক্রম।

শ্রমিকেরা খড়, ভুসি, খইল, সাইলেজ ও নেপিয়ার ঘাস মিশিয়ে নির্দিষ্ট চাড়িতে খাবার তুলে দিচ্ছেন। মহসীন নিজ হাতে পশুগুলোকে খাবার তুলে দিচ্ছেন, কখনো স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন এদের গলায় ও মাথায়।

মহসীন জানান, ‘পড়ালেখা শেষ করে কয়েক বছর চাকরি করেছি, কিন্তু মন বসছিল না। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে গরু-ছাগল পালন করতে দেখেছি। তাই সাহস করে অল্প পুঁজি নিয়েই খামার শুরু করি। তখন জমি ছিল ৫০ শতক। এই কয়েক বছরে খামারের আয়ে ধীরে ধীরে আরও ৫৭ শতক জমি কিনেছি। নির্মাণ করেছি দুটি নতুন শেড ও একটি গুদামঘর। বর্তমানে খামারে মাসিক বেতন ও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ জন কাজ করছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD