মো:গিয়াস উদ্দিন, কক্সবাজার।
৫ই আগস্টের পর দেশের গ্রামীণ জনপদে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম সীমায় পৌঁছেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন যত দেরি হচ্ছে, গ্রামের সাধারণ মানুষের কষ্টের দিন ততই দীর্ঘ হচ্ছে। বর্তমান পরিষদগুলো বলতে গেলে এখন সম্পূর্ণ অকার্যকর।যেসব জনপ্রতিনিধি এখনো এলাকায় আছেন বা পরিষদে আসতে পারেন, তারাও এখন ঘরে বসে পরিষদের কার্যক্রম চালাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ যাদের ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছে, আজ তাদের দরজায় দরজায় ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উখিয়া হলদিয়া ইউনিয়নের কয়েকজন সাধারণ জনগণ বলেন আগামীভোটে আমরা এর মোক্ষম জবাব দেব ভোট চাইতে আসলে বলব আমরা যখন জনসেবার জন্য গেছি আপনাদের পরিষদে পাই নাই আমরা কেন আপনাদের ভোট দেব।
নাগরিক সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ জরুরি কাজের জন্য মানুষকে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো—প্রশাসনও এই ব্যাপারে রহস্যজনকভাবে নীরব!প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের জোর দাবি:অবিলম্বে জনপ্রতিনিধিদের জন্য ইউনিয়ন বা পৌরসভা পরিষদে এসে নিয়মিত অফিস করা বাধ্যতামূলক (Mandatory) করা হোক।
ঘরে বসে বা গোপনে কার্যক্রম চালানো দ্রুত বন্ধ করা হোক।গ্রামীণ জনসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হোক।জনগণের টাকায় যাদের বেতন-ভাতা বা সুযোগ-সুবিধা চলে, তাদের সেবাও জনগণের দোরগোড়ায় এসে দিতে হবে। এই অচলাবস্থা দ্রুত নিরসন হোক, স্থানীয় সরকারে ফিরুক গতি!


Leave a Reply