শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরের রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা আমতলীতে ছোনাউঠা-নীলগঞ্জের মানুষের পাশে হাওলাদার সমাজ কল্যাণ সংস্থা, কাঠের ব্রিজ নির্মাণে ২০ হাজার টাকা সহায়তা লামায় বিশ্ব হাতি দিবসে ৯ লাখ টাকার সহায়তা স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায় জনমনে প্রশ্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এলাকাবাসীর সম্পৃক্তকরণে সচেতনতামূলক সভা দুর্গম পাহাড়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন কুমিল্লায় গ্যাসের জন্য মহাসড়কে পণ্যবোঝাই গাড়ির দীর্ঘ লাইন, বন্ধ আঞ্চলিক গণপরিবহন ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষনের প্রতিবাদে মানববন্দন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের শোক; কুলিয়ারচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছাত্রদল নেতা শহীদ সরকারের মৃত্যু নরসিংদীর পলাশে জাল খাজনার দাখিলা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ১ জন প্রতারক গ্রেফতার

স্ট্যান্ডরিলিজ আদেশের পরও বহাল তবিয়তে থাকা গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের খুটির জোর কোথায় জনমনে প্রশ্ন

মোছা. নিলুফা আক্তার নীলা, কুলিয়ারচর প্রতিনিধি:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭ সময় দেখুন
২৫

সরকারি বদলি আদেশের তোয়াক্কা না করে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে ক্ষমতার দাপটে কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার।

সরকারি খাসজমি ব্যক্তি নামে নামজারি (খারিজ), অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে জালিয়াতি, প্রকাশ্যে সরকারি সম্পদ মূল্যবান গাছ বিক্রি, ঘুষ দাবী ও নেওয়ার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্যের অভিযোগে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি স্ট্যান্ডরিলিজ (তাৎক্ষণিক অবমুক্ত) আদেশের পরেও অফিস ত্যাগ না করে তিনি অনিয়মের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। স্থানীয়রা বলছেন তাঁর খুটির জোর কোথায়? কে বা কারা তাঁকে সেল্টার দিচ্ছেন এ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে। ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দেদারসে অফিস করছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার।

জানা যায়, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুর বাজারের সরকারি খাসজমি (এসএ দাগ-৯১৯২, বিআরএস দাগ-২৭২৫৬) অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে যথাযথ তদন্ত ছাড়াই মো. এনামুল হক নামে এক ব্যক্তির নামে নামজারির প্রস্তাব প্রেরণ করেন নাছিমা আক্তার, যা পরবর্তীতে অনুমোদিত হয়। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে গত ১২ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
বাজারের পক্ষ থেকে দু’জনের স্বাক্ষরিত আবেদনে একমাত্র ইজারাকৃত লক্ষ্মীপুর বাজারের সরকারি খাসজমির নামজারি বাতিল করার জন্য ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। বিষয়টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পন্ন হওয়া নামজারিটি অবিলম্বে বাতিল ঘোষণা এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবিও জানানো হয় ওই আবেদনে। এরপর তদন্ত সাপেক্ষে ওই খারিজ বাতিল করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার। তবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও খাসজমি দখলের চক্রান্তে জড়িত থাকা এই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কিংবা কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শুধু খাসজমিই নয়, সাধারণ গ্রহীতাদের জমিও জালিয়াতির মাধ্যমে নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মো. বকুল মিয়ার অভিযোগ, সম্প্রতি তার ভাগের ৪ শতাংশ জমি নিজ নামে খারিজ করতে গেলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। তিনি ও তার ভাই জালাল মিয়া বিগত ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কুলিয়ারচর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ২৭৭৫ নং দলিল মূলে গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর মৌজার ৮ শতাংশ জমি যৌথভাবে ক্রয় করেন। দলিল অনুযায়ী দুই ভাই সমহারে অর্থাৎ ৪ শতাংশ করে জমির মালিক হয়ে ভোগদখলে আছেন। কিন্তু অসাধু উপায়ে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নাছিমা আক্তার পুরো ৮ শতাংশ জমিই জালাল মিয়ার ছেলেদের নামে খারিজ করে দেন। এতে নিজের ৪ শতাংশ জমির অধিকার হারিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বকুল মিয়া। এ নিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী বকুল মিয়া জানান, “উক্ত কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে তার বৈধ জমি বিবাদীদের নামে খারিজ করে দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি তাঁর প্রাপ্য ৪ শতাংশ জমির নামজারি ফেরত পেতে প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।”

অপর দিকে, ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ কুলিয়ারচর সাব-রেজিস্টার অফিস কর্তৃক ৮৮৯ নং দলিলমূলে গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর মৌজার ৫৭০৫ নং খতিয়ানের ১৮০১ নং দাগের শ্রেণি কান্দা থেকে ৮ শতাংশ ভূমির মালিক ও দখলদার হন কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের মো. জালাল উদ্দিন ও মোছা. সুফিয়া খাতুন দম্পত্তির ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি ওই দলিল দাতা মো. হানিছ মিঞার নিকট থেকে একই দলিলে ৩৬৪৫, ৩৬৪৭ ও ১৩৭৮ নং (খতিয়ান নং ৫৭০৫/১৫৪) দাগ থেকে আরো ৮ শতাংশ জমির মালিক ও দখলদার হন।

বিগত ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই মো. সাইফুল ইসলাম ১৮০১ দাগে ক্রয়কৃত ৮ শতাংশ ভূমি খারিজের জন্য আবেদন করেন। তৎকালীন গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান বিগত ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট নামজারির প্রস্তাব পাঠান এবং একই সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসানের স্বাক্ষরে নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন হয়। যাহার খতিয়ান নং ২৫-১৩৬৯০।

এ বিষয়টি অবগত হওয়ার পরও বর্তমান দ্বায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার অতিরিক্ত সুবিধা পেয়ে ৪ মাসের ব্যবধানে একই দলিলের একই দাগে (১৮০১) প্রাপ্ত ৮ শতাংশ ভূমি মো. সাইফুল ইসলামের নামে নামজারি (খারিজ) প্রস্তাব পাঠান। যাহা চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসানের স্বাক্ষরে অনুমোদিত হয়। যাহার খতিয়ান নং ২০২৬-১০০০৬৭। এই নিয়ে একই দাগে দুইবার নামজারি (খারিজ) করা হয় জমির মালিক মো. সাইফুল ইসলামের নামে। যাহ সম্পূর্ণ অবৈধ। কেননা মো. ছাইফুল ইসলাম ১৮০১ দাগে শুধু মাত্র ৮ শতাংশের ক্রয়কৃত মালিক। ১৮০১ দাগে ১৬ শতাংশের মালিক নয়।

অনিয়মের এখানেই শেষ নয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি হালট ও রাস্তার পাশ থেকে প্রায় ২০-২৫টি মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিনের বিরুদ্ধে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ টাকা। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে একটি অভিযোগ দাখিল করা হলেও অনুসন্ধানে জানা যায়, সেটি এজাহার বা এফআইআর হিসেবে নথিভুক্তই হয়নি।

পরবর্তীতে জুলাই মাসে পুনরায় দুই দফা গাছ কাটা হয়। যার ভিডিও প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নাছিমা আক্তার সুকৌশলে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে আবারও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় দায়সারা একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

ভূমি অফিসে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ২৩ জুলাই কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নাছিমা আক্তারকে তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়। রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর স্বাক্ষরিত আদেশে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে অবমুক্ত হওয়ার নির্দেশ এবং অমান্য করলে তা ‘তাৎক্ষণিক অবমুক্ত’ (Stand Release) হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি এখনও গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মস্থল আঁকড়ে ধরে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

অপর দিকে গণমাধ্যমে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদকে খুন করার জন্য সন্ত্রাসী ভাড়া করেন এই কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও তাঁর সহযোগীরা। সন্ত্রাসীরা এ প্রতিনিধিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।

জানা যায়, সরকারি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় কিংবা মিডিয়াতে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বা এককভাবে ওই সংবাদের প্রতিবাদ বা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যায় না; এটি সরকারি নিয়ম ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এর ফলে মূলত সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এবং সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিবিধান লঙ্ঘন হয়। দুর্নীতির খবরের প্রতিবাদ জানানো বা মিডিয়াতে কথা বলার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। এই ধরনের আচরণ শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা বা disciplinary action গ্রহণ করা হতে পারে।

এমন আইন থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই যৌথ স্বাক্ষরে গত ২৪ জুলাই জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ ও গত ২৬ জুলাই সাপ্তাহিক সোনালী ধারা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করিয়েছে। যা সরকারি নিয়ম ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

অভিযুক্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে তিন দফা গাছ কাটার বিষয়ে থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে ভিডিও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অভিযোগে অপরাধীদের নাম কেন দেওয়া হয়নি এমন প্রশ্নে তিনি নীরব থাকেন।

অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিন বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। গাছ কাটার বিষয়ে কুলিয়ারচর থানায় দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।”

কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগপত্রে কারও নাম না থাকায় বাদীকে সুনির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে প্রশাসনিক এই রহস্যজনক নীরবতা ও বদলীর আদেশের অমান্যতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দুর্নীতিবাজ এই চক্রের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, ভূমি কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার যোগদানের পর থেকেই সাধারণ মানুষকে খাজনা ও খারিজের নামে হয়রানি করে আসছেন। সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর করে তিনি সরকারের স্বার্থ ও স্বায়ত্তশাসিত সম্পত্তি চরম ক্ষতির মুখে ফেলছেন।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, অচিরেই বদলীকৃত গোবরিয়া আব্দুল্লাহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তারকে রিলিজ দেয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD