শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানে দুই বিতর্কিত কর্মকর্তার পুনর্বহালের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুয়ারা হত্যা মামলায় যুবদল নেতাকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রামুতে পৃথক অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু

রামগড়-বারৈয়ারহাট আঞ্চলিক মহাসড়ক যেনো মরণফাঁদ

মাসুদ রানা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন
৩৪

খাগড়াছড়ির রামগড়-বারৈয়ারহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে রামগড় ফরেষ্টগেট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো যাত্রী ও চালক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সমস্যাটি থাকলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা এতটাই বেশি যে যানবাহনকে ধীরগতিতে হেলে-দুলে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় পুরো সড়ক কেঁপে ওঠে। এতে শুধু যানবাহনের ক্ষতিই হচ্ছে না, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।

এই সড়কটি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির সঙ্গে রামগড় স্থলবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন এ পথে দূর পাল্লার বাস, গাছ, বাঁশ ও কৃষিপণ্য বোঝাই ট্রাক, পিকআপ, পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, টমটমসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে চালকদের গতি কমিয়ে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়।

সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। তখন কোনটি ছোট গর্ত আর কোনটি গভীর তা বোঝার উপায় থাকে না। এ কারণে প্রায়ই মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের ভাষায়, সড়কটির বর্তমান অবস্থা এমন যে এটি এখন আর সড়ক নয় বরং একেকটি ‘মরণফাঁদ’।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কয়েক বছর ধরে একই চিত্র দেখে আসছেন তাঁরা। মাঝেমধ্যে নামমাত্র সংস্কারকাজ হলেও তা কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। তাছাড়া এসড়কে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক মহাসড়ক দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

স্থানীয় পরিবহন চালকদের ও একই অভিযোগ। তাঁদের ভাষ্য, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পরিবহন করতে হচ্ছে। অনেক সময় দুর্ঘটনা এড়াতে হঠাৎ ব্রেক বা দিক পরিবর্তন করতে গিয়ে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টি আমাদের জানা আছে। সড়কটি বর্তমানে স্থলবন্দর প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD