বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে আলোকবালী ইউনিয়নের বাখননগর এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নি’হত সুমন মিয়া বাখননগর গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে। তিনি আলোকবালী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাবেক সভাপতি কাইয়ুম মিয়ার ভাতিজা।
নি’হতের স্বজনরা জানান, সুমন মিয়া ও তার বোন সোনিয়া বাড়ির অদূরে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় ১০ থেকে ১৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অস্ত্রের মুখে সুমনকে জিম্মি করে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়। পরে বাখননগর বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি গুলি করে ফেলে রেখে যায়। গুরুতর আ’হত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ভাইয়ের মৃত্যুর পর হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতের বোন সোনিয়া। তিনি বলেন,আমার ভাই কয়েকদিন পর বিদেশে চলে যাবে। তার স্ত্রী গর্ভবতী। সে কোনো দল করে না,তার কোনো শত্রুতাও নেই। কিন্তু হাবি, মিটুল,মাইনুদ্দিন ও কালা আমার ভাইকে ধরে নিয়ে মেরে ফেলেছে। আমার ভাইয়ের সন্তানদের কী হবে? আমি আমার ভাইয়ের খু’নিদের ফাঁসি চাই।
আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিন সরকার বলেন,মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিছু বিএনপি নেতার ইন্ধনে আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের বাখননগরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এর আগেও বিএনপির তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। তারা পাশ্ববর্তী চরাঞ্চল থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এসব অপকর্ম চালায়।
তিনি আরও বলেন,বাখননগর থেকে লোকজন বিএনপির সব সভায় যায়। এই অপরাধে তারা আজ এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন বলেন,স্থানীয় দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Leave a Reply