বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেন:-
বান্দরবান শান্তি ও সম্প্রীতির জনপদ। এখানে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও প্রশাসন একসাথে কাজ করছে বলেই আজ পর্যটনসহ সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন দুর্গাপূজায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সকল বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কোনো গুজব যাতে সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। সরকার পার্বত্য এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রশাসনের পাশে আছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সেনাবাহিনীর টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ ও স্থানীয়দের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, “সীমান্তসহ অভ্যন্তরীণ ০৯টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবির ০৩টি বেইজ ক্যাম্প, ডগ স্কোয়াড ও মাইন সুইপিং টিম কাজ করবে। গুজবে কান না দেওয়ার জন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা বলেন, “জেলার সকল পূজামণ্ডপে সিসিটিভি, বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবক নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব উদযাপনে সকলের সহযোগিতা চাই।”
পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “বান্দরবানের আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল। পূজামণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকদের হয়রানি রোধে ট্যুরিস্ট পুলিশ সক্রিয় থাকবে। মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ দমনে সম্মিলিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং পর্যটকবান্ধব বান্দরবান গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য *জনাব সাচিং প্রু জেরী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, রিজিয়ন কমান্ডার, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড; কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি, সেক্টর কমান্ডার, বান্দরবান বিজিবি সেক্টর; জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানাএবং পুলিশ সুপার *জনাব মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


Leave a Reply