ব্যক্তিগত আক্রোশের ‘বলির পাঠা’ জনপ্রিয় আইনজীবী জামিল হাসান তাপস জনমনে প্রশ্ন?
মোঃ আনোয়ার হোসাইন
বিশেষ প্রতিনিধি(জামালপুর)
২৫ মার্চ, ২০২৬ ইং
জামালপুরের স্বনামধন্য ও জনপ্রিয় সিনিয়র আইনজীবী, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি এবং রশিদপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের ব্যক্তিগত ইমেজকে কেন্দ্র করে দুই সাংবাদিকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত আক্রোশ ও স্বার্থের লড়াইয়ে বর্তমানের বলির পাঠা হয়েছেন সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই ব্যক্তিত্ব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদরের দুই সাংবাদিক—আজাদ হোসেন নিপু ও সিনিয়র সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন স্বপন এর মধ্যে অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের সাথে সখ্যতা বজায় রাখা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন স্বপনের সাথে অ্যাডভোকেট তাপসের সুসম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি তাতে অবনতি ঘটে। এই সুযোগে অপর সাংবাদিক আজাদ হোসেন নিপু সেখানে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।
অভিযোগ উঠেছে, মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ও সুবিধার আশায় এই দুই সাংবাদিক অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তারা আসলে পেশাদার সাংবাদিকতা করছেন নাকি স্বার্থলোভে কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ঘিরে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করছেন?
অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপস জামালপুরের একজন অত্যন্ত গুণী ও দানবীর ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তাকে নিয়ে এই দুই সাংবাদিকের মধ্যে এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং প্রকাশ্যে বাকবিতণ্ডা চলছে। সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের মতে, একজন জনপ্রিয় ও সিনিয়র আইনজীবীকে এভাবে বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে আসা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এবিষয়ে এড.জামিল হাসান তাপসের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কে কি ফেসবুকে লিখলো বা মন্তব্য করলো সে বিষয়ে আমি মাথা ঘামাচ্ছি না। আমি মানুষের সেবা করে যাচ্ছি এবং এটা অব্যাহত থাকবো ইনশাল্লাহ। আমি ইউনিয়নবাসীর জন্য কিছু করতে চাই এটা আমার মূল লক্ষ্য।
এদিকে, জামালপুরের তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে ওই দুই সাংবাদিককে প্রেস ক্লাবে তলব করে তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। অপসাংবাদিকতা রোধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জেলার সাংবাদিকতার পরিবেশ কলঙ্কিত হতে পারে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।


Leave a Reply