কুুমিল্লার মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ইমেজিং সেন্টারে চলছে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার রমরমা ব্যবসা
বিশেষ প্রতিনিধি(কুুমিল্লা)
কুুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ইমেজিং সেন্টারে চলছে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার রমরমা ব্যবসা। প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছে শত শত নীরিহ সাধারণ মানুষ। জানা যায়, সাম্প্রতিক কালে মেঘনা উপজেলাস্থ মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ইমেজিং সেন্টারের অনিয়ম ও দুর্নীতি খুজে বের করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন একটি তথ্য অনুসন্ধান কার্যক্রম করার সংবাদ পাওয়া গেছে। এতে উল্লেখিত মানবাধিকার সংস্থা অধিদফতরের মহোদয় বরাবর (২৮ আগষ্ট,২৫) তথ্য অনুসন্ধান সংক্রান্ত অবগতি পত্র পেশ পূর্বক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। অনুসন্ধান টিমের প্রধান ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও গণমাধ্যম কর্মী নজরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অনুসন্ধানের সময় দেখা যায় উল্লেখিত হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার, রোগিদের ব্যবহারিত গোসল ও পায়খানা, রান্নাঘর, অপর্যাপ্ত অক্সিজেন ব্যবস্থা, নামে মাত্র অগ্নিনির্বাপক উপায় ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর মধ্য দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়ে আসছে। সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায় হাসপাতালে সার্বক্ষণিক কর্মরত কোন ডাক্তারের দেখা যায়নি। ভুক্তভোগী রোগিদের অভিভাবকরা জানায় যে,মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল ও ইমাজিং সেন্টারে গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন করা হলেও নেই অজ্ঞান করানোর ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্স। জানা যায়, ভুয়া ডাক্তার ও ভুল চিকিৎসার কারণে একাধিক রোগীর যন্ত্রনার সাথে অকালে মৃত্যু ঘটে। এসময় রোগিদের মধ্যে মোছাঃ রিখা(৩৪)স্বামী- জাসুদ, মোছাঃ ফারিয়া স্বামী-বিপ্লব ও সকিনা বেগম স্বামী-জামাল মিয়ার ঘটনা উল্লেখ যোগ্য। এসব অপকর্মের কারণে উক্ত হাসপাতাল জনরোষেের শিকার হয়ে একাধিকাবার ভাংগচুর ও অর্থ দন্ড করা হয়। এই হাসপাতালটির সরকারি কোন অনুমোদন আছে বলে তথ্য পাওয়া যায়নি। তাছাড়া হাসপাতালটিতে আল্ট্রা সনোগ্রাফি ও এক্সরে করার জন্য কোন প্রশিক্ষিত ডাক্তার বা জনবল পাওয়া যায়নি। এছাড়া পরিবেশ ছাড়পত্র, এক্সরে চালানোর টিএলটি বেইস,সরকার অনুমোদনিত সেবিকা,বর্জ ও পয়োঃ নিষ্কাশন ছাড়পত্র, ড্রাগ লাইসেন্স, আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেটের হালনাগাদ তথ্য, মূল্য তালিকা আপগ্রেড না করা, সার্বক্ষণিক সঠিক ভাবে চিকিৎসা প্রদানের জন্য এমবিবিএস চিকিৎসক না থাকা,স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মানুযায়ী ৬ জন ডিপ্লোমাধারী নার্সের মধ্যে একজন ও না থাকা, সনদধারী ফার্মাসিস্ট না থাকা,ফার্মেসিতে নিম্নমানের ও মেয়াদ উত্তির্ণ ঔষধ রাখাসহ সর্বোপরি স্বাস্থ্য অধিদফতরে নিয়মানুযায়ী অপারেশন থিয়েটার না রাখা ও হাসপাতালটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না রাখা এসব গুরুত্ব পূর্ণ অভিযোগ রয়েছ যা একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে থাকা সমীচীন নয়। এসব বিষয়ে রোগীর লোকেরা মুখ খুলেও হাসপাতালের আয়া নাজমা, রিসেপশনিস ও কথিত নার্স সাথী আক্তারের কিছু পালিত লেকজন রোগী ও তাদের সাথে আগত লোকজনকে হুমকি ধমনি দিয়ে তাড়িয়ে দেয় বলে অনেকে বলাবলি করে তবে তাদের সিন্ডিকেটের ভয়ে কেউ মুখ খুলে না।


Leave a Reply