বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ আটক-১ খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামগড় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ইউএনও কাজী শামীম, সদস্য সচিব সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করায়,এম পি দিপু ভুইয়াকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান নুরুন্নবী ভূঁইয়া মুকসুদপুরে রিয়ান হত্যা: মানববন্ধনে উত্তাল কমলাপুর, আসামিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ পার্থশী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে খন্দকার মাহবুব হাসান দিপন এজলাসে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষানবিশ আইনজীবী কুমিল্লায় ডাকাতি মামলায় একজনের ৭ বছর, চারজনের ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড থানচিতে সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধিতে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধনী সভা ইসলামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত, বাবু এমপির উন্নয়নের ধারায় স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

এজলাসে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষানবিশ আইনজীবী

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন
২৬

গোপালগঞ্জ জেলা আদালতে এজলাস চলাকালে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে ২য় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সানিহা সুলতানাকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ আদালত ভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জেলা আইনজীবী সমিতির সূত্র ও ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা যায়, সানিহা সুলতানা গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. এম. জুলকাদর রহমানের অধীনে শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম চলাকালে তিনি ২য় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিচারক মো. সুজন মিয়া হঠাৎ তাঁর টেবিলে থাকা কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি সানিহা সুলতানার কপালের ডান পাশে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। কপাল ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তিনি এজলাসেই লুটিয়ে পড়েন।

আদালতে উপস্থিত আইনজীবী, মোহরার ও অন্যান্য ব্যক্তিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী সানিহা সুলতানা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, বিচারক মো. সুজন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত আচরণবিধির পরিপন্থীভাবে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও খেয়ালখুশিমতো আচরণ করে আসছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও তিনি অ্যাডভোকেট দিলীপ বিশ্বাসের মোহরার আমিনুল ফকিরকে একই ধরনের ঘটনায় আঘাত করেছিলেন, যাতে তিনি কোমরে গুরুতর জখম হন।

এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে লিখিত আবেদন করেছেন আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিচারক মো. সুজন মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD