কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গ্রামের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল উদ্যোগ ‘প্রথম হাসি’প্রকল্পের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ হল রুমে ডনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, ডিজিটাল ডেমোক্রেসি ইনিশিয়েটিভ (ডিডিআই) সাউথ এশিয়া ও একাউন্টেবিলিটি ল্যাব-এর সহযোগিতায় এ ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি আশিকুর রহমান আশিক। একজন নিবেদিতপ্রাণ ভলান্টিয়ার হিসেবে দেশ ও দেশের বাইরে কাজ করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন তিনি। বিশেষ করে ২০২০ সালের মহামারী করোনার সংকটময় সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং ভলান্টিয়ার হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আজ যুবসমাজ সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।
ডনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের সদস্য আবু তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালহাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ময়দান আলী,বলদিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মাইদুল ইসলাম মুকুল,উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি এ এস খোকন,ভূরুঙ্গামারী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুজন এবং প্রথম হাসি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক চামেলী আক্তার
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পিন্ট মিডিয়া গণমাধ্যম কর্মী,ডনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আশরাফুন্নাহার জবা এবং প্রথম হাসি প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর সেলিম হোসেন।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য:
প্রকল্প পরিচালক চামেলী আক্তার জানান,প্রান্তিক পর্যায়ে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে ইপিআই টিকাগুলো পাচ্ছে কি না এবং পেলেও সেগুলো পেতে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কি না—তা মোবাইল অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের কাছে সমাধানের জন্য হস্তান্তর করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে প্রান্তিক অঞ্চলের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সবাই মিলে তা সমাধান করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য,৩ মাস মেয়াদী এই প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে কাজ চলবে ২০ দিন। ফিল্ড ভলান্টিয়াররা এই ২০ দিনে ৫০০-এর অধিক তথ্য সরবরাহ করবেন,যেখানে ২৫ জন মেয়ে,২৩ জন ছেলে এবং ২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভলান্টিয়ার অংশগ্রহণ করছেন।


Leave a Reply