র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, অপহরণ, হত্যাসহ সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের প্রতিটি ইউনিট নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এই প্রেক্ষিতে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেলুন কর্মী কিশোর সুকান্ত (১৫) নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরাফাত (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫, কক্সবাজার।
প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর আভিযানিক দল অদ্য ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৫:১০ ঘটিকায় কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আভিযানিক দলের দক্ষতায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরাফাত (৩০)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ০১টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি আরাফাত (৩০), পিতা-সিরাজুল হক, গ্রাম-আন সমিতিপাড়া, সমিতিপাড়া (বাগানপাড়া), কক্সবাজার পৌরসভা, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার এর বাসিন্দা।
র্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের সমিতিপাড়া এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে সুকান্ত (১৫) নামের এক সেলুন কর্মী কিশোর গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর থানায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পলাতক আসামি আরাফাত’কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫, কক্সবাজার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


Leave a Reply