July 8, 2026, 5:53 pm
শিরোনাম :
খুলনায় র‍্যাব-৬ এর অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ দুর্ধর্ষ ডাকাত খবির মোল্লা গ্রেফতার রূপসায় কেডিএর উদ্যোগে সেবা ও মাস্টার প্ল্যান বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, কোবাখালীতে ত্রাণ বিতরণ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ২ যুবকের ধর্ষণ রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, প্রশংসায় ভাসছেন এমপি হেলাল সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৫ হাজার ৫৯১ আইন লঙ্ঘনকারী গ্রেপ্তার ভেবেছিলাম আমিই দলকে ডুবালাম, ম্যাচ শেষে মেসি বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কুমিল্লায় যুবক নিহত জামালপুরে এক আওয়ামী লীগ নেতার অফিস থেকে বন্দুক এবং বোমা উদ্ধার কাদা-জলে নাকাল ২ লাখ মানুষ: কটিয়াদীর জালালপুর সড়ক যেন এক মরণফাঁদ

রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, প্রশংসায় ভাসছেন এমপি হেলাল

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Wednesday, July 8, 2026
  • 33 সময় দেখুন

আজিজুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালের নিরলস প্রচেষ্টা,দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং আন্তরিক উদ্যোগের ফলে খুলনা-৪ আসনের রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি প্রশাসনিক অনুমোদন মিলেছে। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে আজিজুল বারী হেলালের কার্যকর ভূমিকার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। জনকল্যাণে নিবেদিত এমপি আজিজুল বারী হেলাল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছেন। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং উন্নয়নমুখী চিন্তার ফলে রূপসা ও দিঘলিয়ার স্বাস্থ্যখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দুই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। একই সঙ্গে রূপসা ও দিঘলিয়ার লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা ৪৫,০০,০০০,০০০,১৬০,৯৭,০০০৩,২৬-৬৯৯ স্মারক নং থেকে উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক আদেশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ।সূত্রে জানা যায়,দেশের ৪১৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং ১৩টি নতুন ১০১ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ওই আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যার হলেও প্রতিদিন ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। ফলে প্রায়ই শয্যা সংকট দেখা দেয়। অনেক রোগীকে পর্যাপ্ত শয্যা না পেয়ে অপেক্ষা করতে হয়। আবার রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হয়। এতে চিকিৎসাসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং কাঙ্ক্ষিত মানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানেও নানা সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়। ১০১ শয্যায় উন্নীত হওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর পদ সৃষ্টি ও নিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। হাসপাতালের অবকাঠামো সম্প্রসারিত হবে, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সংযোজিত হবে এবং ইনডোর চিকিৎসা, জরুরি বিভাগ ও রোগ নির্ণয় সেবার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে সাধারণ মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই খুলনা শহর বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটতে হবে না। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রোগীদের ভোগান্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এ বিষয়ে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন,রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবি ছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা। মানুষের এই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ,প্রয়োজনীয় তদবির ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। অবশেষে সরকারের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং রূপসা ও দিঘলিয়ার লাখো মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ১০১ শয্যায় উন্নীত হওয়ার মাধ্যমে শুধু হাসপাতালের শয্যা সংখ্যাই বৃদ্ধি পাবে না, একই সঙ্গে চিকিৎসক,নার্স,মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সংযোজন, অবকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক মান উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে রূপসা ও দিঘলিয়ার সাধারণ মানুষ নিজ উপজেলাতেই অধিকাংশ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাবেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা ব্যয়, সময় এবং দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতিদান দেওয়াই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব হলো মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব খুলনা-৪ গড়ে তুলতে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার এই অর্জন সেই ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়নের স্বার্থে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে যাব। এ বিষয়ে খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু বলেন, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা আজিজুল বারী হেলালের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও নিরলস তদবিরের ফলেই রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রশাসনিক অনুমোদন মিলেছে। এটি দুই উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক বলেন, এটি রূপসা উপজেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের সংবাদ। আমাদের নেতা সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল জনগণের কল্যাণে যেভাবে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তারই বাস্তব প্রতিফলন এই অর্জন। হাসপাতালটি ১০১ শয্যায় উন্নীত হলে উপজেলার মানুষের চিকিৎসাসেবা আরও সহজ, উন্নত ও মানসম্মত হবে। খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হওয়ার প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ায় দুই উপজেলার মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। এ সাফল্যের পেছনে আমাদের নেতা সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের নিরলস প্রচেষ্টা ও কার্যকর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা আশা করি খুব দ্রুত এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হবে এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল ভোগ করবেন। এ ব্যাপারে কথা হয় ৮ জুলাই রূপসার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগী, মরিয়ম বেগমের সঙ্গে । তিনি খবরটি শুনে তার অভিমত ব্যক্ত করে জানান , রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী কোন রোগী নিয়ে আসলেই সিটের অভাবে আমাদের খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয় । সেখানেও অত্যাধিক রোগীর চাপে বারান্দায় থাকতে হয় ৭ থেকে ৮ দিন । রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হলে আমাদের আর খুলনায় যেতে হবে না । এখানেই উন্নত ভালো চিকিৎসক এবং উন্নত সেবা পাব । শিয়ালী থেকে আসা ডাইবেটিক্স রোগী নিশিকান্ত জানান , সামান্য অপারেশন এ হাসপাতালে হয় না । ১০১ শয্যায় উন্নীত হলে এখানে সব ধরনের অপারেশন হবে । আমাদের ছোটখাটো অপারেশনের জন্য আর খুলনা যেতে হবে না। । এতে আমাদের খরচ ও কমবে ভোগান্তীয় কমবে ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD