সরিষাবাড়ী উপজেলায় গোয়ালবাথান গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা।
বিশেষ প্রতিনিধি :(জামালপুর)
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গ্রাম গোয়ালবাথানের গর্ব, দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জানাতে এক ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ৯/০৬/২০২৫ ইং(সোমবার) বিকেলে। এলাকার শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ছিল উৎসবমুখর ও অনুপ্রেরণায় ভরপুর।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মনিরুজ্জামান কামরুল। তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব মোঃ আরিফুজ্জামান সেলিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নাড়ি পোতা মাটির টানে আমাদের ফিরতেই হয়—জীবিত অথবা মৃত। এ মাটি ও মাটির মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের মূল কেন্দ্র হচ্ছে প্রিয় গ্রাম গোয়ালবাথান।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রকৌশলী মোঃ তোজাম্মেল হোসেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “অনেক সরকারি কর্মকর্তা তাদের নিজ এলাকার কেউ গেলে বিরূপ আচরণ করেন, আন্তরিকতা দেখান না। আমি অনুরোধ করব, তোমরা যেন বড় হয়ে এমন না হও।”
অনুষ্ঠানে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
সরোয়ার আলম,
মোশাররফ হোসেন,
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ও মহর,
এনামুল হক,
লাল মিয়া,
মাসুদুর রহমান,
লুৎফর রহমান,
বাচ্চু মেম্বার,
প্রভাষক মোঃ রকিবুজ্জামান রুবেল,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(ব্যাংকার),মো:সোহাগ মিয়া(DU),আমিনুল ইসলাম(মেরিনার)
প্রধান শিক্ষক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন,
জিয়াউর রহমান,
আলিফ মাহমুদ,
রুবেল রানা জেসান প্রমুখ।
অতিথিরা সকলেই কৃতি শিক্ষার্থীদের অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীর পথচলায় দৃঢ়তা, মানবিকতা ও নেতৃত্বগুণে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, এই আয়োজন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি গোয়ালবাথানের শিক্ষানুরাগী চেতনার প্রতিফলন।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। গোয়ালবাথান গ্রামের ইতিহাসে এটি ছিল একটি ব্যতিক্রমী ও প্রেরণামূলক আয়োজন, যা ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের শিক্ষার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হয়ে থাকবে।


Leave a Reply