January 15, 2026, 10:27 pm
শিরোনাম :
নারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার কুমিল্লা দাউদকান্দি স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইউএনও ফেরদৌস আরা জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় শীতার্ত মানুষের পাশে ব্র্যাক ইরানে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা সরিষাবাড়ীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা–হিরোইন ও রেপলিকা পিস্তলসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক মানবদেহের ভেদ তত্ত্ব ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ায় দিগপাইতের দুইটি ইট ভাটাকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা। রাজারহাটে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কর্তন,৪ লাখ টাকা জরিমানা ও যানবাহন জব্দ। কালিগঞ্জ সরকারি কলেজে দর্শন বিভাগের শ্রদ্ধেয় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপিকা শামীমা আকতারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান রাজশাহীতে ২৮ বোতল মদ উদ্ধার

রাজশাহীর মিষ্টি পানের চাহিদা সবচেয়ে বেশী।

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Monday, August 4, 2025
  • 94 সময় দেখুন

রাজশাহীর মিষ্টি পানের চাহিদা সবচেয়ে বেশী

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে উৎপাদিত মিষ্টি পানের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘রাজশাহীর মিষ্টি পান’ শিগগিরই জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাবে বলে আশা করছি। দুই মাস আগে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হলেই আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারব।

এদিকে পানকে বলা হয় ‘ক্যাশ ক্রপ’ বা অর্থকরী ফসল বলা হয়। আর কৃষকরা পানের বরজকে বলে থাকেন ‘ক্যাশ ব্যাংক’। যখন প্রয়োজন হয় তারা বরজ থেকে পানপাতা তুলে সরাসরি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, এক বিঘার একটি পানের বরজ থেকে একজন কৃষক মাসে অন্ততঃ ৩৫ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। প্রতি বিঘা জমিতে পানের বরজ তৈরিতে কৃষকের এককালীন খরচ হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। যার স্থায়িত্বকাল হয়ে থাকে ৩০ থেকে ৪০ বছর।

রাজশাহী জেলায় পান চাষে জড়িত কৃষকের সংখ্যা ৩৯ হাজার ১০১ জন। গত ৫ বছরে রাজশাহী জেলায় পানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ। ২০১৮ সালে পানের আবাদ হতো আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে পান উৎপাদন হয়েছে ৭৭ হাজার ২১৯ টন। ৯ উপজেলার মধ্যে বাগমারা, পবা, মোহনপুর ও দুর্গাপুরে পানের আবাদ বেশি হয়। পান বরজের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৬টি। এসব বরজে উৎপাদিত পান জেলার ২০টি হাটে সরাসরি বিক্রি করে থাকেন কৃষকরা।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, রেশম ও আমের পাশাপাশি পানও যে অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সে কারণে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য দুই মাস আগে আমরা আবেদন করি। জিআই সনদ পেলে আমাদের পান দেশ-বিদেশে আরও সমাদৃত হবে। পান উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটবে, যা অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। এতে পান চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD