April 17, 2026, 6:47 am
শিরোনাম :
সুন্দরবনে ড্রোনের সহায়তায় অভিযান: বিষ দিয়ে মাছ শিকার পণ্ড, নৌকা ও বিষ জব্দ কানাডার মুলধারার রাজনীতিতে বাঙালী বংশোদ্ভূত মৌলভীবাজারের ডলি বেগম অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত গাঁজা সেবন ও বহনের অপরাধে নীলফামারী কোর্টের মুহুরী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড কুমিল্লায় অটোরিকশা-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মা-ছেলের মৃত্যু কুমিল্লায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাল বোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে নিহত-৭ আহত-৬ রশিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দুর্ভোগের চরম সীমায় তিন ইউনিয়নের মানুষ। সুন্দরবন ও উপকুলীয় এলাকায় কোস্টগার্ডের সাঁড়াশি অভিযান ইসলামপুর পৌরসভায় উন্নয়ন ব্যয় নিয়ে বিভ্রান্তি: সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের বিপরীতে দাপ্তরিক হিসাবের চিত্র

সরিষাবাড়ীর চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল।

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Wednesday, July 16, 2025
  • 1334 সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: (জামালপুর):

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এই ফলাফল জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অঙ্কে ফেল করেছে, ইংরেজিতে ফেল করেছে ৯ জন এবং অর্থনীতিতে ফেল করেছে ১ জন। বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৫ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ১০ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ৮ জন এবং নবম ও দশম শ্রেণিতে রয়েছে ১৩ জন।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের গাফিলতি, ক্লাসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং সময়মতো সিলেবাস শেষ না করার কারণে শিক্ষার্থীরা এমন ফলাফল করেছে। অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে এলেও ঠিকমতো পাঠদান করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাদের মতে, “বিদ্যালয়ে জবাবদিহিতা নেই, একাডেমিক মনিটরিং দুর্বল। শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না, ফলে শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে পড়ছে।”

১৫/০৭/২০২৫ ইং ১১:২০ মিনিট (মঙ্গল বার) তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আজমেরি খাতুন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। মোবাইলে যোগাযোগ করার পর তিনি বিদ্যালয়ে আসেন।
এ সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক মো: আবু সাঈদ (বিএসসি), সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন এবং সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের এই সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। শিক্ষক-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষার মানউন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তারা আরও বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ডের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD