শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে ‘ফাঁসানোর’ প্রতিবাদে চরপুটিমারী: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ কৃষকদের সমস্যা সমাধানে পবিপ্রবিতে “ওয়ানস্টপ সার্ভিস” চালু করা হবে–পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর হেমায়েত জাহান রাজাপুরে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের পেশাদার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু বায়না ও টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না করে পালানোর অভিযোগ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, এমপি পাহাড়ের শিক্ষায় ই-লার্নিং, আর কোনো বৈষম্য থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার হেলাল কুড়িগ্রাম সদরে নিজ শোয়ার ঘরে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সরিষাবাড়ীর চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল।

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪১১ সময় দেখুন
৩১

নিজস্ব প্রতিবেদক: (জামালপুর):

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। এই ফলাফল জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অঙ্কে ফেল করেছে, ইংরেজিতে ফেল করেছে ৯ জন এবং অর্থনীতিতে ফেল করেছে ১ জন। বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৫ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ১০ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ৮ জন এবং নবম ও দশম শ্রেণিতে রয়েছে ১৩ জন।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের গাফিলতি, ক্লাসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং সময়মতো সিলেবাস শেষ না করার কারণে শিক্ষার্থীরা এমন ফলাফল করেছে। অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে এলেও ঠিকমতো পাঠদান করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাদের মতে, “বিদ্যালয়ে জবাবদিহিতা নেই, একাডেমিক মনিটরিং দুর্বল। শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না, ফলে শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে পড়ছে।”

১৫/০৭/২০২৫ ইং ১১:২০ মিনিট (মঙ্গল বার) তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আজমেরি খাতুন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। মোবাইলে যোগাযোগ করার পর তিনি বিদ্যালয়ে আসেন।
এ সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক মো: আবু সাঈদ (বিএসসি), সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন এবং সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের এই সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। শিক্ষক-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষার মানউন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তারা আরও বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ডের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD