March 2, 2026, 6:09 am
শিরোনাম :
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ ডাকাত আটক জামালপুরে দোকান নিয়ে বিরোধ: টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পাইকগাছায় প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) দিগপাইতের ডোয়াইলপাড়া গ্রামে প্রতিবেশী ভাগিনার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ; ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা প্রভাবশালীদের আমতলীতে ৩০০ দরিদ্র পরিবার মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ নিহত ৪ ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন মাদককাণ্ডে মুখ খুললেন মেহজাবীন রাজশাহীতে আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক নরসিংদীর শিবপুরে শিক্ষকের দুই পা কর্তন অপরাধী আমার ভাই হলেও ছাড় পাবে না এমপি মনজুর এলাহী। জামালপুরে কেন্দুয়া কালিবাড়ী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলার দুর্গম শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Monday, December 22, 2025
  • 219 সময় দেখুন

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলার দুর্গম শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD