জামালপুর সদর থানা পুলিশের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা থেকে অপহৃত মোছাঃ বন্যা খাতুন (২৬) নামের এক নারীকে দ্রুত অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে জামালপুর সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সদর উপজেলার মানিকের চর মোল্লাবাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
সদর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুস সাকিব সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার দিকে নান্দিনা বাজারের মানহা তালুকদার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মী বন্যা খাতুন হাসপাতাল রোডে যাওয়ার পথে অপহৃত হন। ঢাকা মেট্রো চ-১৫ ৯৭ ৭৬ নম্বরের একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে করে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় নান্দিনা বড় মসজিদ রোড এলাকার মৃত ছাদ্দাম হোসেনের ছেলে মোঃ চাঁন মিয়া বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পরপরই ওসি মোঃ নাজমুস সাকিবের নেতৃত্বে এসআই মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, এএসআই মোঃ আল নোমান, কনস্টেবল মোঃ কবির হোসেন, নারী কনস্টেবল ঝুমা রানী, আবুল হোসেন এবং বারুয়ামারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান।
পুলিশের তৎপরতায় মাত্র নয় ঘণ্টার ব্যবধানে মানিকের চর মোল্লাবাড়ি এলাকা থেকে বন্যা খাতুনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ সফল অভিযানে স্থানীয়রা এবং বন্যার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জামালপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম বলেন,
“জামালপুর জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সদর থানার ওসি মোঃ নাজমুস সাকিব ও তার টিম যেভাবে দক্ষতা ও দ্রুততায় ভিকটিমকে উদ্ধার করেছেন, তা পুলিশের পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে আমাদের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
দ্রুত পদক্ষেপ ও সফল অভিযানে পুলিশ বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করেন, এ ধরনের দক্ষ ও মানবিক পদক্ষেপই নিরাপদ সমাজ গঠনে বড় ভূমিকা রাখবে।


Leave a Reply