January 15, 2026, 10:04 am
শিরোনাম :
কুমিল্লা দাউদকান্দি স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইউএনও ফেরদৌস আরা জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় শীতার্ত মানুষের পাশে ব্র্যাক ইরানে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা সরিষাবাড়ীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা–হিরোইন ও রেপলিকা পিস্তলসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক মানবদেহের ভেদ তত্ত্ব ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ায় দিগপাইতের দুইটি ইট ভাটাকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা। রাজারহাটে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কর্তন,৪ লাখ টাকা জরিমানা ও যানবাহন জব্দ। কালিগঞ্জ সরকারি কলেজে দর্শন বিভাগের শ্রদ্ধেয় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপিকা শামীমা আকতারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান রাজশাহীতে ২৮ বোতল মদ উদ্ধার বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে ত্রিমুখীসংঘর্ষ ওই দেশের সেনাবাহিনী, আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা আরশাদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ ১ বাংলাদেশী শিশু গুলিবিদ্ধ।

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলার দুর্গম শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রতিবেদকের নাম
  • Update Time : Monday, December 22, 2025
  • 91 সময় দেখুন

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলার দুর্গম শৈয়ালপাড়া ও থাচিপাড়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD