রশিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
মোঃ আনোয়ার হোসাইন
বিশেষ প্রতিনিধি জামালপুর | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ইং
জামালপুর সদরের রশিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পহেলা বৈশাখের এই উৎসবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে এক মিলনমেলায় পরিণত করে।
অতিথিবৃন্দ ও সঞ্চালনা:
রশিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: জামিল হাসান (তাপস)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবিকা জনাব মাসুমা আরমিন মিতু (সহধর্মিণী, মাননীয় সংসদ সদস্য এড. শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জিল্লুর রহমানের দক্ষ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথিদের তালিকা:
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রশিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সমন্বয়ক মো: শিপার মেহেদী ফেরদৌস, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: আবুল হোসেন মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মো: আজহারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার ও মোঃ বাবুল আক্তার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন আনিছুর রহমান কালু, জিয়াউল হক, মোঃ সেলিম আহমেদ, সাইফুল ইসলাম বাদশা, মোঃ আলাল উদ্দিন, মোঃ শাজাহান ফকির, মোঃ শফিকুল ইসলাম আকন্দ, মোঃ মোশাররফ হোসেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তৌকির আহমেদ।
পুরস্কার ও বিশেষ উপহার:
আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বার্ষিক পরীক্ষার ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল দুই কৃতি শিক্ষার্থীকে দেওয়া বিশেষ উপহার।নবম শ্রেণির সর্বোচ্চ নম্বরধারী শিক্ষার্থী মোঃ মাসুম মিয়াকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এড. জামিল হাসান তাপস ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি বাইসাইকেল প্রদান করেন।
দশম শ্রেণির সর্বোচ্চ নম্বরধারী শিক্ষার্থী সারিকা আক্তারকে মধুপুর রানী ভবানী মডেল সরকারি হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা মিসেস সুলতানা নাসরিন মুক্তার পক্ষ থেকে একটি বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মাসুমা আরমিন মিতু বলেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। তবে কেবল পাঠ্যবই নয়, পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম ও নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” সভাপতির বক্তব্যে এড. জামিল হাসান তাপস শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যেখানে বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও বৈশাখী গান স্থান পায়।


Leave a Reply