কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ১৬ এপিবিএনের জাদিমুড়া ক্যাম্প সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টা ৩৫ মিনিটে ক্যাম্পের সি/৫ ব্লকে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাম্প-২৭-এর সি/৫ ব্লকে স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদউল্লাহর বসতঘরের উত্তর পাশে টিনের বাউন্ডারির ভেতরে একটি খালি জায়গায় ইয়াবা পুঁতে রাখার তথ্য পায় এপিবিএন।
পরে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই (সশস্ত্র) মো. আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে এবং শালবাগান এপিবিএন ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মনজুরুল আবছার ও এসআই আলম মিয়াসহ সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান।
অভিযানকালে শনাক্ত করা স্থানে প্রায় এক ফুট মাটি খনন করে স্বচ্ছ সাদা প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বস্তুটি খুলে পাঁচটি প্যাকেট পাওয়া যায়।
প্যাকেটগুলো খুলে ৫০টি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেটে রাখা হালকা গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ১০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।
উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন আনুমানিক ৮০০ গ্রাম। প্রতি পিসের আনুমানিক মূল্য ৩০০ টাকা হিসাবে এর বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।
পরে উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই মো. আলম মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মামলা নম্বর ৮৫ রুজু করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(গ)/৪১ ধারায় মামলাটি করা হয়।
তবে এ ঘটনায় ইয়াবার সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। উদ্ধার করা মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে আইনগত তদন্তের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।