নীলফামারীর জলঢাকায় নামধারী মানবাধিকার সংগঠনের জেলা সভাপতি আল-আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে স্ত্রী নাজমুন নাহারকে নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও যৌতুকের কারণে অপদস্থ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ১৬ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে জলঢাকা থানায় একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন তিনি।

এজাহারসূত্রে জানা যায়, নাজমুন নাহারের সঙ্গে আল-আমিন হোসেনের বিয়ে হয়। তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে। এজাহারে বলা হয়, বিয়ের সময় স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়। পাশাপাশি নগদ অর্থও দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতিনিয়ত যৌতুকের কারণে পারিবারিক তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।নাজমুন নাহারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকিয়া প্রেমে আসক্ত তাই অন্য নারীর সাথে বসবাস করছেন এবং সন্তানদের যথাযথ খোঁজখবর রাখছেন না। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অপদস্থ করা হয়। এজাহারে আরও দাবি করা হয়, তাঁকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে এবং তাঁর ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও উল্লেখ করেন, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেও তিনি তাঁর অভিযোগ তুলে ধরেন। পরে প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন।

মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে স্ত্রীর এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত আল-আমিন ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি বলেন, আমিও সাংবাদিক আমিও সাংবাদিক এটা নিয়ে নিউজ না করাই ভালে।তবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে না দেখে যে নিউজ করবে আমি তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাজমুল আলম বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে৷