সাজেক গণ অধিকার ফোরামের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক দুর্বলতা ও চরম ব্যর্থতা এখন একদম স্পষ্ট হয়ে পড়েছে। নিজেদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক এই দৈন্যদশা আড়াল করতে তারা অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে। ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ জনগণের সহানুভূতি ও মনোযোগ আকর্ষণের জঘন্য কৌশল অবলম্বন করছে সংগঠনটি। কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই প্রতিনিয়ত মনগড়া তথ্য প্রচার করে তারা নিজেদের খোলস বাঁচানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিজেদের ব্যর্থতার দায় এড়াতে সাজেক গণ অধিকার ফোরাম এখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতো একটি সুশৃঙ্খল ও দেশপ্রেমিক বাহিনীর ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। পাহাড়ে শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সেনাবাহিনী যখন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তখন একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের অপরাধ ও অক্ষমতা ঢাকতে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কৌশল নিয়েছে তারা, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

এমনকি সাজেক উজো বাজারে নিজেদের দোকানপাট নিজেরা ভাঙচুর ও ধ্বংস করে সেই দায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চাপানোর মতো ন্যক্কারজনক ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে সংগঠনটি। উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে সেনাবাহিনীর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করাই এদের মূল উদ্দেশ্যে পরিণত হয়েছে, যা তাদের মূলনীতি ও চরম দায়িত্বহীনতাকে প্রকাশ্যে এনে দেয়।

সব মিলিয়ে, বানোয়াট ও উস্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পার্বত্য সাজেক অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে চরম অস্থিরতা ও দাঙ্গা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার এই হীন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে কোনো অপশক্তি এলাকার শান্তি-সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে।