বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন যাত্রা শুরু*
দপ্তর বণ্টন শেষ। এখন কাজের পালা। আর ১৮০ দিন পরই হবে রিপোর্ট কার্ড!
বান্দরবান, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯-এর ২৭ ধারা অনুযায়ী গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস স্মারকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ১৪ জন সদস্যের মধ্যে দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে। একই স্মারকে পরিষদের আগের সব আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
চেয়ারম্যানের দপ্তর:
মিসেস মাম্যাচিং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।
সদস্যদের দপ্তর বণ্টন:
স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাত:
লুসাইমং: স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা পরিবার পরিকল্পনা
– মশিউর রহমান: জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রকৌশল ।
মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন: সমাজসেবা, বাজারফান্ড
-কাজী নিরুতাজ বেগম: সরকারি শিশু পরিবার।
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত:
মাওসেতুং তংচংগ্যা: কৃষি সম্প্রসারণ, হর্টিকালচার, নার্সারি।
চনুমং: জেলা মৎস্য, ক্রীড়া বিভাগ
-মং ক্যনু মারমা: প্রাণিসম্পদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন
আবদুল মাবুদ: বিসিক, বিএডিসি, সেচ, সার ও বীজ।
সংস্কৃতি ও পর্যটন খাত:
অংজাই উই চাক: শিল্পকলা একাডেমি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট।
রিয়াল দাও বম: পর্যটন ব্যবস্থাপনা, গণগ্রন্থাগার
আগস্টিন ত্রিপুরা: তুলা উন্নয়ন বিভাগ।
শাসন ও প্রশাসনিক খাত:
দনওয়াই স্রো: পৌরসভা-ইউনিয়ন বাদে অন্যান্য শাসন, কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ।
ক্যউ গ্রু খিয়াং: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
মিজ উৎস্যাসিং: জেলা সমবায় বিভাগ।
উল্লেখ্য: আদেশ জারির দিন থেকেই দায়িত্ব কার্যকর। তবে ১৮০ দিন পর দপ্তরভিত্তিক কার্যক্রমের ভিত্তিতে এই বণ্টন পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।
চেঞ্জার – ১৮০ দিনের মূল্যায়ন:-
সবচেয়ে বড় কথা: ৬ মাস পর কাজের মূল্যায়ন হবে।
অফিস স্মারকে বলা আছে – ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর। ১৮০ দিন পর দপ্তরভিত্তিক কাজ দেখে আবার বণ্টন হবে।
মানে কাজ না করলে দপ্তরও থাকবে না। এটা বান্দরবানের জন্য নতুন সংস্কৃতি।
আগের সব আদেশ বাতিল। নতুন করে শুরু।