০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বান্দরবান।
বান্দরবানের আকাশ-বাতাস আজ অন্যরকম। নয়নাভিরাম শান্তিতীর্থ বান্দরবানের ঐতিহাসিক ঐতিহাসিক রাজার মাঠে আজ থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী, অষ্টপ্রহর ও মহানামযজ্ঞ।
ধর্মে ধর্মে সম্প্রীতি কালকেই দেখলাম পার্বত্য মন্ত্রী প্রশাসন নিয়ে শান্তির কথা বলছেন। আর আজ সেই শান্তির বাস্তব রূপ দেখছি রাজার মাঠে।
মন্ত্রী মহোদয়, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ডিসি, এসপি সবাই একসাথে ধর্মসভায়।
এর মানে একটাই বান্দরবানে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-খ্রিস্টান আমরা সবাই ভাই। উৎসব সবার।
“কৃষ্ণের বাঁশি” মানে শান্তির বার্তা
শ্রীকৃষ্ণের বাঁশি মানে ঐশ্বরিক সুর, মিলনের ডাক। বান্দরবানের পাহাড়ে যখন এই বাঁশির সুর বাজবে, তখন ৪ জেলা থেকে আসা ভক্তরা -ঢাকার বঙ্গ-বিহারী, সাতক্ষীরার লোকনাথ, গোপালগঞ্জের কৈবল্যনাথ, বরিশালের চন্দ্রাবলী সম্প্রদায় – সবাই এক সুরে “হরে কৃষ্ণ” বলবে।
এটাই তো বাংলাদেশ। এটাই তো বান্দরবান।
৩ দিনের আয়োজন মানে ৩ দিনের উৎসব
১৬-১৮ ভাদ্র, ৩-৫ সেপ্টেম্বর – গীতাপাঠ, ধর্মসভা, মহাশোভাযাত্রা, মহানামযজ্ঞ, রাজভোগ, মহাপ্রসাদ।
সকাল ৯.৩০ টায় ধ্বজা উত্তোলন দিয়ে শুরু, শেষ হবে ৫ তারিখ ভোর ৬টায় নগর পরিক্রমা দিয়ে।
মাঝে ৬ বেলা মহাপ্রসাদ বিতরণ।
বান্দরবানে শুরু ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী উৎসব
রাজার মাঠে ধর্মসভায় মন্ত্রী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ডিসি, এসপি
নয়নাভিরাম শান্তিতীর্থ বান্দরবানের ঐতিহাসিক রাজার মাঠে আজ থেকে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উৎসব*।
উদ্বোধন:সকাল ৯.৩০ টায় ধ্বজা উত্তোলন ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি: জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিশেষ অতিথি:
মিসেস *মাম্যাচিং – চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
জনাব মোঃ সানিউল ফেরদৌস- জেলা প্রশাসক
জনাব মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার- পুলিশ সুপার
জনাব জাবেদ রেজা – সচিব, জেলা বিএনপি।
আর্শিবাদক:শ্রীমৎ স্বামী অভেদানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ,
০৩ সেপ্টেম্বর:গীতাপাঠ, ধর্মসভা, মহানামযজ্ঞের অধিবাস
– ০৪ সেপ্টেম্বর: সকাল ১০.০১ টায় মহাশোভাযাত্রা, রাত ৮.৩১ টায় জন্মাষ্টমী পূজা
০৫ সেপ্টেম্বর: ভোর ৬টায় মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতি ও নগর পরিক্রমা।