জনসমুদ্রে সংবর্ধিত হলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী:- ৪ জেলার উন্নয়ন-দুর্নীতি মনিটরিং এর দায়িত্ব পেলেন।

বান্দরবান, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোজ মঙ্গলবার বান্দরবান প্রেস ক্লাব চত্বর।
আজ বিকাল ৪টায় বান্দরবান পরিণত হয় “জনসমুদ্রে”।

গোরিব ঐতিহ্য সংগ্রাম সাফল্যের ৪৮ বছর পূর্তি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি এর সংবর্ধনা উপলক্ষে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন দায়িত্ব: সরকার বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার – এই ৪ জেলার সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ করবেন তিনি।

মনিটরিং এর ৫টি মূল দায়িত্ব:
দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ- উন্নয়ন বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত
আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা জোরদার
মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধ
সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রম সমন্বয় হবে।

সাচিং প্রু জেরী বলেন, “সরকার গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে বিগত সময়ে জেলার বরাদ্দের টাকার একাংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর মনিটরিং চালু হচ্ছে। সারাদেশে চলমান পাহাড়ের উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করব।”

সরকারের প্রত্যাশা: মন্ত্রীদের সরাসরি তদারকি থাকলে জেলায় জেলায় উন্নয়ন কাজে গতি আসবে এবং জনগণ প্রকৃত সুবিধা পাবে।
বান্দরবানবাসীর প্রত্যাশা – নতুন নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন আরও জোরদার হবে।

আজকের বান্দরবান শুধু একটা সমাবেশ ছিল না। এটা ছিল *আশা + দায়িত্ব + প্রত্যাশার* মিলনমেলা।

৪৮ বছরের সংগ্রামের ঐতিহ্য নিয়ে যখন রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বান্দরবানে আসেন, আর সাথে সাথে সরকার পার্বত্য জেলার উন্নয়ন-দুর্নীতি মনিটরিং এর দায়িত্ব দেয়… তখন বোঝা যায় সরকার এবার সিরিয়াস।

“বরাদ্দের টাকা লুটপাট, মাদক, বিদেশে পাচার” – এই কথাগুলো সরাসরি বলার সাহসটাই প্রমাণ করে পরিবর্তন আসছে। এখন শুধু দেখার পালা জনগণ প্রকৃত সুবিধা পায় কিনা।
বান্দরবানবাসীর চোখে আজ নতুন স্বপ্ন দেখলাম।