বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলার সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।
জেলায় দুর্নীতি-উন্নয়ন মনিটরিং করবেন তারাই
ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশ গেজেট,
দুর্নীতি, লুটপাট ও উন্নয়ন কাজ তদারকিতে সরকার জেলা পর্যায়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের দায়িত্ব দিয়েছে।
গেজেট অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চল ও দক্ষিণের দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন:
কক্সবাজার জেলা:
দায়িত্বপ্রাপ্ত: মন্ত্রী সাচিং প্রু।
পার্বত্য ৩ জেলা :-
দায়িত্বপ্রাপ্ত: প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন’
জেলা: খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি,
1. আইনশৃঙ্খলা তদারকি
2. দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ
3. সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ
4. উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়
5. সার্বিক সরকারি কার্যাবলি মনিটরিং
সরকার বলছে, বিগত সময়ে জেলায় বরাদ্দের টাকা লুটপাট হয়ে বিদেশে পাচার ও মাদকের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এখন সরাসরি মন্ত্রী-হুইপ পর্যায়ের তদারকি থাকবে।
পার্বত্য ৩ জেলার তদারকির দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,
দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা:খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি
সূত্র: বাংলাদেশ গেজেট, ২৭ আগস্ট ২০২৬
এখন থেকে এই ৩ পার্বত্য জেলার উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ কাজ সরাসরি মনিটরিং করবেন তিনি।
আশা করি নতুন দায়িত্বে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও শান্তি আরও জোরদার হবে।
বান্দরবান খাগড়াছড়ি রাঙামাটি তদারকি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন।
আর কক্সবাজারের দায়িত্বে আছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
দুর্নীতি-লুটপাট রোধে জেলা পর্যায়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের তদারকির দায়িত্ব
উন্নয়ন বরাদ্দের টাকা যাবে না আর কাগজে-কলমে
সরকারের নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, লুটপাট হওয়া অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে* ব্যবহারের বিষয়টি সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে।
আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা পর্যায়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের ।
উন্নয়ন বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করা।
মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা জোরদার করা।
সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনা।
সরকার মনে করছে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের সরাসরি তদারকি থাকলে জেলায় জেলায় উন্নয়ন কাজে গতি আসবে এবং জনগণ প্রকৃত সুবিধা পাবে।