অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর বেলে-দোআঁশ মাটি এবং ভালো ফলনের কারণে প্রতি বছরই নতুন নতুন কৃষক যুক্ত হচ্ছেন আখ চাষে। বিঘাপ্রতি আখ চাষে উৎপাদন খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রায় ১০ মাসে ফসল পরিপক্ব হলেও ভালো ফলন হলে বিঘাপ্রতি আখ বিক্রি করে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। তাই অন্য ফসলের তুলনায় আখ চাষকে অধিক লাভজনক ফসল। উৎপাদনের পাশাপাশি রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, ন্যায্য বাজারদর এবং কৃষি বিভাগের প্রণোদনা সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে জেলার আখ চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তথ্যমতে, চলতি বছরে জেলায় কৃষকরা ১৭৭ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করেছে যা গত বছরের তুলনায় অইেশ বেশি। এসব এলাকায় আখের জাত ঈশ্বরদী ১৬, ১৭, বিএসআরআই ৪১, ৪৫, ৪৭ চাষাবাদ হয়ে থাকে। কিন্তু আবহাওয়া তারতম্য থাকায় নানা রোগবালাই লেগে আছে। নানা প্রকার কীটনাশক প্রয়োগ করেও আখের রোগবালাই দূর করা যাচ্ছে না।

নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আতিক আহমেদ জানান, আখ চাষে সরাসরি উপকরণ সহায়তা না থাকলেও রোগবালাই দমন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক হোমায়রা জানান, আখ চাষিদেও যেকোনো সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ পাশে থাকবে। নীলফামারীর মাটি আখ চাষে উপযোগী। এখানকার আখ রসালো এবং সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও ব্যাপক।